1. alamgirhossen6085@sokalerkhobor24.com : alamgirhossen6085 :
  2. dinislam1144@sokalerkhobor24.com : Din Islam : Din Islam
  3. litonakter@sokalerkhobor24.com : litonakter :
  4. nalam.cht@sokalerkhobor24.com : nalam.cht :
  5. reporter1@sokalerkhobor.com : reporter1 :
  6. info@sokalerkhobor24.com : sokalerkhobor24 :
  7. admin@sokalerkhobor24.com : unikbd :
শুদ্ধি অভিযানে দিশাহারা মাদকের দুর্নীতিবাজরা | সকালের খবর ২৪
বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বনানীতে বিদেশি রিভলবারসহ একজন গ্রেফতার গ্রেফতার ১: আমেরিকা প্রবাসী নারীকে বিয়ের ফাঁদে ও ব্ল্যাকমেইলিং কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে নওগাঁয় মাদক বিরোধী অভিযানে ৪২ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা সহ গ্রেফতার ১ ব্রাহ্মণবাড়িয়া তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি ডেভিল হান্ট ফেইজ-২: ২৪ ঘণ্টায় ছয় থানা এলাকায় অভিযান, গ্রেফতার ৪৬ সরাইলে তারেক রহমানের জনসভাকে ঘিরে উৎসবের আমেজ, ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ ‎রায়পুরের জেলের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার বরিশালের হিজলাতে উদ্ধার মোংলায় বিদেশি হুইস্কি ও নগদ টাকা সহ নারী আটক চট্টগ্রাম জামেয়া মহিলা কামিল মাদরাসায় সংবর্ধনা নড়াইলের দু’টি আসনে ১৫ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ

শুদ্ধি অভিযানে দিশাহারা মাদকের দুর্নীতিবাজরা

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৫২৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

যারা অপরাধে জড়িত, তারা এখন চাকরি হারানোর আতংকে। গত মার্চে নতুন মহাপরিচালক মো.হাসান মারুফ যোগ দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয় দেশব্যাপী ক্র্যাশ অভিযান।

মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব নিয়ে মাদকের ব্যবসার সঙ্গে নানাভাবে জড়িয়ে পড়া, মাদকসেবন, লাইসেন্স নবায়নের নামে ঘুষ গ্রহণ, অনৈতিক পন্থায় হয়রানি, নিজের এখতিয়ার বহির্ভূত অপকর্মে জড়িত হওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ গত চারমাসে অন্তত ৪ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে ৭ জনকে, শৃঙ্খলাভঙ্গসহ অন্যান্য অভিযোগে বদলি করা হয়েছে ৩২ জনকে। চাকরিচ্যুত ও

বদলির মতো কঠিন শাস্তির মুখে পড়েছেন আরও অন্তত ১৩ জন। মাদকে শাস্তি প্রদানের এমন ঘটনা নজিরবিহীন। মাদক বিভাগ জানিয়েছে, নতুন মহাপরিচালক রীতিমতো মাদকের দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেই সবাইকে বার্তা দিচ্ছেন-

১১ জন বরখাস্ত, শাস্তির মুখে আরও এক ডজন

আর যাই কর, ঘুষ দুর্নীতি স্বজন প্রীতি অনিয়ম অরাজকতায় জড়ালে রেহাই নেই। যতই প্রভাবশালী হোক না অপরাধ করলে শাস্তি পেতে। মাদকদ্রব্য বিভাগকে আর যেন কেউ ঠোঠো জগন্নাথ হিসেবে মন্তব্য করতে না পারে সেজন্যই কঠোর খড়গ। বলা যায়, মাদকে এখন বড় ধরনের শুদ্ধি

অভিযান চলছে। শিষ্টের লালন ও দুষ্টের দমন নীতিতেই গড়ে তোলা হবে নতুন বাংলাদেশের নতুন মাদক অধিদপ্তর। আগে কোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠলে সেটা তদন্ত হতো। কিন্তু সেটা আর আলোর মুখ দেখত না। মো. হাসান মারুফ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই পাল্টে গেছে প্রশাসনিক কার্যক্রম। কঠোরতর অবস্থান নিয়েছেন তিনি, ঘুষ দুর্নীতি, হয়রানি ও দায়িত্ব পালনে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে।

এ সব বিষয়ে জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ বলেন, আমরা কিছুতেই কোনো অন্যায়কারীকে ছাড় দেব না। মাদকের মতো অভিশাপকে দূর করার দায়িত্বে যারা নিয়োজিত তারাই যদি এমন শুদ্ধি অভিযানে

অপকর্মে জড়িত হয়- সেটা বরদাশত করার মতো নয়। অভিযোগ পেলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে কোন মূল্যে তাদের নিজ নিজ পেশাদারিত্ব, দক্ষতা, সততা ও নৈতিকতা মেনেই চাকরি করতে হবে। আমরা ইতোমধ্যে বেশ কজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছি, আরও কজনের বিরুদ্ধে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মূল কথা হচ্ছে- আর যাই হোক মাদক নিয়ন্ত্রণে নেমে কেউ যেন মাদক বিস্তারে কাজ না করতে পারে, সেটাই আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। সেখানে আমাদের জিরো টলারেন্স। বতর্মান সরকারের নেওয়া দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথ অনুযায়ী আমরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকেও নতুন করে সাজাতে চাই। যেখানে থাকবে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ডিজি মো. হাসান মারুফ যোগ দেওয়ার পরই তিনি সারাদেশের দুর্নীতিবাজ ও অনিয়মকারীদের তালিকা তৈরি করেন। সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত দুর্নীতিবাজ ও বিতর্কিত কাজের তালিকায় ওঠে বাবুল ওঠে বাবুল সরকারের নাম। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এক সুন্দরীর নারীর সঙ্গে বসে ইয়াবা সেবন করছেন সহকারী পরিচালক বাবুল সরকার। তার কাজ হচ্ছে মাদক নির্মূল করা, আর তিনি কিনা নিজেই ইয়াবা সেবন করেন। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে ছিল ঘুষ গ্রহণের প্রমাণাদি। সেজন্যই গত ২৪ জুলাই বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে তাকে।

এ বিষয়ে জানা গেছে, গত বছর তিনি স্বপ্রণোদিতভাবে কাশিমপুরের মাল্টিফ্যাবস গার্মেন্টস পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি অননুমোদিতভাবে অবৈধভাবে এসিটোন ব্যবহারের প্রমাণ পেলেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে মামলা ও গ্রেফতারের ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। জাপুরে কর্মরত পরে সমঝোতার মাধ্যমে আরও ১০ হাজার ঢাকা গ্রহণ করেন। এ ছাড়াও বাবুল সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে প্রিকারসর কেমিক্যাল ব্যবহারের লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আরও ১৩ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এছাড়াও গাজীপুরে কর্মরত থাকাকালে ২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর নিট কম্পোজিট নামীয় কারখানায় পরিদর্শনের সময় কারখানা কর্তৃপক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। সেখানেও প্রিকারসর কেমিক্যাল ব্যবহারের লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে আরও ৬ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণের প্রাথমিক প্রমাণ পায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এরপরেও জাকির হোসেন নামে একজনকে আরও ১ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে চাপ প্রয়োগ করেন। বাবুল সরকার বিভি বিভিন্ন কর্মস্থলে নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে আর্থিক দুর্নীতি ও সহকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, অসদাচরণসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হন। অথচ ২০১৭ সালে চাকরিতে যোগদান করলেও এখন পর্যন্ত তার চাকরি স্থায়ী না হওয়ার আগেই দুটি বিভাগীয় মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে অতীতে কেউ কোনো কঠিন ব্যবস্থা নেয়নি। এ ধরনের মারাত্মক অভিযোগ তদন্ত করে তাকে বাধ্যতামূল অবসরে পাঠানো হয়। তারপরের ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে শান্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে টাঙ্গাইলের একটি অভিযানের সময়। ভূঞাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় সাড়ে ৮ লাখ লুটের ঘটনায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তারা হলেন-কর্মকর্তারা টাঙ্গাইল জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম, সহকারী উপ-পরিদর্শ ক মোস্তাফিজুর রহমান ও জিয়াউর রহমান। এখানে জিয়াউর রহমান হলেন-ডিবির সেই আলোচিত বস হারুন উর রশীদের ছোট ভাই।

জানা গেছে-ভুঞাপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ছালেহা বেগম ডিজি অফিসে অভিযোগ করেন-গত ১৮ জুন সকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লোকজন প্রথমে তার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সম কোনো মাদকদ্রব্য না পেয়ে তাদের গাড়ির তেল খরচের জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। তখন তাদের ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তারা বাকি ১০ হাজার ঢাকা পাঠিয়ে দিতে বলে চলে যান। কিছুক্ষণ পরে তারা পুনরায় আমার ঘরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র এলোমেলো করতে থাকেন। পরে প্রায় ৩ ঘণ্টার বেশি সময় অভিযান চালিয়ে ১০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার দেখানো হয়। একপর্যায়ে তারা ঘরের আলমারির তালা খুলে সেখানে থাকা ৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকা নেন। আমার ছেলের ঘরে প্রবেশ করে ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো করে ও আলমারিতে থাকা ১ লাখ ৮০ হাজার ঢাকা নেন। টাকা নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে আমাকে ও আমার ছেলের স্ত্রীকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দেন তারা। ওই অভিযোগ তদন্ত করে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায়- সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ধারা ১২ এর উপধারা ১ মোতাবেক সরকারি চাকরি থেকে তিনজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

টঙ্গী সরকারি কলেজের সামনেক রমিজ উদ্দিন নামের লোকের বাসায় অভিযান চালিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার ও চেক লিখে নেয়ার দায়ে চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেযা হয়েছে। যদিও ওই বাসায় সেদিন আটজন। অভিযানে গিয়েছিলেন-সহকারী পরিচালক মারফিয়া আফরোজের নেতৃত্বে। অন্যরা হলেন- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক শাহরিয়া শারমিন, উপপরিদর্শক আবদুল আল মামুন ও মো. জান্নাতুল ফেরদৌস, সহকারী উপপরিদর্শক মো. আতাউল হক, সিপাহী সোহেল রানা, আবদুর রহমান, সাইমুন হাসান খান ও মো. লুৎফর রহমান। অভিযোগের বিষয়ে চারজনের বিরদ্ধে প্রাথমকি সত্যতা পেয়ে চার কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে তাদের প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এই চার কর্মকর্তার মধ্যে মারফিয়া আফরোজ ছাড়া বাকিরা হলেন, উপপরিদর্শক মো. জান্নাতুল ফেরদৌস, সহকারী উপপরিদর্শক মো. আতাউল হক ও সিপাহী সোহেল রানা।

অভিযানে আটজন গেলেও চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সমালোচনা করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। শাস্তি হলে সবারই শাস্তি হওয়া উচিত। এখানে চারজনকে বাঁচিয়ে রাখা রহস্যজনক।

এ ঘটনা সম্পর্কে মাদকের সদর দপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, সেদিন ছিল ২২ জুন। ইয়াবাসহ মো. রমিজ উদ্দিন নামের এক মাদক বিক্রেতাকে আটক করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। পরে রমিজকে নিয়ে টঙ্গীর দক্ষিণ খা পাড়ায় তার ভাড়া বাসায় যান কর্মকর্তারা। তার বাসায় তল্লাশি করে দুটি পলিব্যাগে ১৫ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রমিজের পরিবারের অভিযোগ, এ সময় বাসা থেকে মোটা অঙ্কের টাকার একটি ব্যাংক চেক নিয়ে আসেন কর্মকর্তারা। মাদক উদ্ধারের এ ঘটনায় সহকারী পরিচালক মারফিয়া আফরোজ বাদী হয়ে মামলা করেন। এজাহারে জব্দ তালিকায় একটি পলিব্যাগের মধ্যে ৫ হাজার ইয়াবা ও আরেকটি পলিব্যাগে ১০ হাজার ইয়াবার কথা উলেখ করেন। আসামির কাছ থেকে উদ্ধার একটি মুঠোফোনও জব্দ তালিকায় দেখানো হয়। কিন্তু জব্দ তালিকায় কোনো ব্যাংক চেক দেখানো হয়নি। মামলায় সাক্ষী হিসেবে দুজনের নাম রয়েছে। তাঁদের একজন স্থানীয় বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ রাহাত। তিনি বলেন, অভিযান শেষে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। ইয়াবা জব্দ দেখিয়ে তাঁর স্বাক্ষর নেওয়া হয়।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাঢাকার গেন্ডারিয়া বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ে যান। সেখানে সহকারী পরিচালক মারফিয়া আফরোজার অফিসকক্ষটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।

মাদকে চাকুরি করে মাদক কারবারীদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়া ও মাদক সেবন করার মতো অপরাধ স্বাভাবিকতায় পরিণত হলেও ছিনতাইকারীর মতো অপরাধেও জড়ানোর অভিযোগ ছিল বিস্ময়কর। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করে অভিযানে অংশগ্রহনের সময় একজনের কাছ থেকে সোনার বার ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় পটুয়াখালীতে কমব্রত সিপাহি মো. সোহেল রানার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। আল আরাফাত নামে একজনের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া হয় দুটো সোনার বার। অথচ তার কাছে কোন মাদক মিলেনি।

বনানীর ইউনিক রিজেন্সী হোটেলে মাদকের কর্মকর্তা সহকারি পরিচালক এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে গুলশানের পরিদর্শক আতাউর রহমান ও ধানমন্ডির পরিদর্শক শাহজালাল খান অভিযান চালিয়ে কজনকে আটক করেন। আশ্চর্যের বিষয়- তাদের সঙ্গে অভিযানের সময় আরও ছিলেন গুলশান বনানী কুখ্যাত মাদক সম্রাট ও সীসা জুয়েল খ্যাত সাইফুল ইসলাম জুয়েল। যিনি এক সময় ছাত্রলীগ নেতার পরিচয়ে নারী ব্যবসায়ে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন। সেই রাতের অভিযানে একজন কর্মচারি প্রহার করতে দেখা যায় এক মাদক কর্মকর্তাকে। এ ঘটনায় তিন কর্মকর্তা ও ড্রাইভার হাফিজের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এমন সব অপরাধে গত এক মাসেই ১০ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত ছাড়াও ঘুষ গ্রহণের দায়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক সহকারী পরিচালককে পাঠানো হয়েছে বাধ্যতামূলক অবসরে। এ ছাড়া একজনের ইনক্রিমেন্ট বন্ধ এবং আরও এক সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© 2025 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। সকালের খবর ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি ।
Developed By UNIK BD