বশেমুরবিপ্রবি’র সাবেক উপাচার্যের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

8

মাহবুবুল ইসলাম মানিক;বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) সাবেক রুটিন উপাচার্য ও বর্তমানে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ শাহজাহান এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছে তার বাড়ির সাবেক গৃহকর্মী।

আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উক্ত গৃহকর্মী ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোঃ মোরাদ হোসেনের কাছে যৌন হয়রানির লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে তিনি ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ সেল’ এ লিখিত দিতে বলেন। তবে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ সেলের প্রধান ও আইন বিভাগের চেয়ারম্যান মানসুরা খানম অভিযোগটি গ্রহণ না করে গৃহকর্মীকে থানা বা আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কিউ এম মাহবুব বলেন, “ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ঘটেনি এবং অভিযোগকারী এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ না। তাই তার অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি”।

অভিযোগ দায়েরকারী গৃহকর্মী অভিযোগ পত্রে বলেন, “কাজ করার সময় ড. শাজাহানের স্ত্রী বাসায় না থাকলে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে শারীরিক ভাবে আমার ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করতেন। খারাপ উদ্দেশ্য প্রকাশ করে আমাকে আর্থিক প্রলোভন দেখাতেন। একদিন বাসা ফাঁকা থাকলে তিনি আমাকে জোর করে খাটে ফেলে দেয়, জড়িয়ে ধরে, চুমু দেয় এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এ ঘটনায় আমি দৌড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু তিনি আমাকে এ বিষয়ে কাউকে কিছু না বলতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। 

অভিযোগকারী অভিযোগ পত্রে আরও উল্লেখ করেন যে, ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকি। পরবর্তীতে আমি এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকের কাছে বিচার চাইলে তারা স্থায়ী ভিসি আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেন”।

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে সাবেক রুটিন উপাচার্য ড. মোঃ শাহজাহান বলেন, “আগের ভিসির (খন্দকার নাসিরুদ্দিন) বিরুদ্ধে যে ছাত্র আন্দোলন হয়েছিল তখন থেকে একটা গ্রুপ স্ট্রংলি আমার বিরুদ্ধে লেগে আছে। তারা সময়ে সময়ে সত্য মিথ্যা বিভিন্ন কথাবার্তা বানিয়ে আমার বিরুদ্ধে বলে বা লিখে। এটা সে ষড়যন্ত্রের অংশ, সামাজিকভাবে আমাকে হেয় করার একটা প্রচেষ্টা। ইনশাল্লাহ সাহসের সাথে এটা মোকাবিলা করতে পারবো। আমার মনে হয় যদি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত হয় তবে এর সত্যতা প্রকাশ হবে”।

নিউজটি শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •