ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ই মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শায়েস্তাগঞ্জ -চুনারুঘাট প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ঘুমের ঔষধ বিক্রি

ঔষধ যেমন মানুষের জীবন বাচায়, রোগ প্রতিষেধকেও কাজ করে তেমনি ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও রয়েছে,এবং অতিরিক্ত মাত্রায় ঘুমের ঔষধ সেবনে জীবনের আলো নিবে যেতে পারে,হতে পারে অকাল মৃত্যু, অসময়ে ঝরে যেতে পারে একটি ।

সব দিক বিবেচনা করে সরকার স্বাস্হ্য মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ঔষধ বিক্রেতা বা ফার্মেসীদের জন্য তৈরী করেছেন নীতিমালা, গঠন করেছেন বিধিনিষেধ নিয়মনীতিমালা ও আইন।

হবিগঞ্জের জেলার শায়েস্তাগঞ্জ ও চুনারুঘাট উপজেলার পৌর শহর থেকে শুরু করে গ্রামের হাটবাজার ঔষধের ফার্মেসীতে কোন আইন নিয়মনীতি মালা তোয়াক্কা না করে অবাদে বিক্রয় করছে বিভিন্ন প্রকার ঘুমের ঔষধ কাশের সিরাপ ঘুমের টেবলেট প্রেসক্রিশন ছাড়াাই দিচ্ছে ।

এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন বয়সের যুবক’ যুবতীরা শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার শহর দাউদাউনগর বাজারে একটি ফার্মেসী থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবক ঔষধের দোকানে গিয়ে ১ পাতা ঘুমের ঔষধ কিনছে অনায়াসে,কোন প্রকার রেজিস্ট্রার্ড ডাক্তার কর্তৃক প্রেসক্রিপশন ছাড়াই।এভাবে যুব সমাজের হাতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঘুমের ঔষধ বিক্রয় কতটা যৌক্তিক এমন প্রশ্ন এখন অনেক সচেতন নাগরিকের।মেয়াদোত্তীর্ন ঔষধও বিক্রয় করে বলে অনেকই অভিযোগ করেছে

। নাম প্রকাশ না করার সত্বে একজন ফার্মেসী কর্মী বলেন,কিছু ফার্মেসীর মালিক অধিক মুনাফা ও সেল বাড়ানোর জন্য কোন নিয়মনীতি না মেনেই বেপরোয়া ভাবে ঘুমের ঔষধ বিক্রি করছে প্রেসক্রিপশন ছাড়া,যা আসলে উচিত নয়।
কারন ঘুমের ট্যাবলেট ও কাশির সিরাপ নেশা হিসেবে যুবক’ ও যুবতীরা সেবন করে। কতিপয় যুবক যে উক্ত ফার্মেসী থেকে প্রেসক্রিপশন ছাড়া মাইলাম,নকটিন,ট্রীপটিন,সর্বোচ্চ পাওয়ারের ঘুমের ঔষধ ক্রয় করেন প্রতিনিয়তই প্রেসক্রিপশন ছাড়া অকপটে শিকার করেছেন ক্যামেরার সামনে।

শায়েস্তাগঞ্জে অভিযোক্ত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফার্মেসী’র মালিকের সাথে এক পর্যায় সাক্ষাৎতে আলাপ হয় প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঘুমের ঔষধ বিক্রয়ের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন কোন মন্তব্য করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।

শেয়ার করুনঃ

স্বত্ব © ২০২৩ সকালের খবর ২৪