1. alamgirhossen6085@sokalerkhobor24.com : alamgirhossen6085 :
  2. dinislam1144@sokalerkhobor24.com : Din Islam : Din Islam
  3. litonakter@sokalerkhobor24.com : litonakter :
  4. nalam.cht@sokalerkhobor24.com : nalam.cht :
  5. reporter1@sokalerkhobor.com : reporter1 :
  6. info@sokalerkhobor24.com : sokalerkhobor24 :
  7. admin@sokalerkhobor24.com : unikbd :
রূপগঞ্জের হাট-বাজারে আগ্রাসী স্নেকস্কিন–থাই গুড়ামি, দেশি মাছ বিলুপ্তির আশঙ্কা | সকালের খবর ২৪
রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক প্রটোকল মেনেই শহীদদের মরদেহ তোলা হবে: সিআইডি প্রধান আন্তর্জাতিক প্রটোকল মেনেই শহীদদের মরদেহ তোলা হবে: সিআইডি প্রধান মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষ করল ১৭১ আনসার সদস্য: দুর্যোগে সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান লালমনিরহাটে নিয়োগ বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে হরিজন সম্প্রদায়ের মানববন্ধন পঞ্চগড়ে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ওলামা দলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ন্যায্য সমঝোতা না হলে জোট নয়: নবীনগরে নুরুল হক নূর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রানাপাশা ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতির পদ স্থগিত ও বহিষ্কার ছাত্রলীগের ক্যাডার লাভলু সিকদারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অভিযোগ দুদুকে চসিকের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলাচলের রাস্তায় ফের বর্জ্য ফেললো মহল্লা কমিটি মাধবপুরে অপহরণের পাঁচ দিন পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার

রূপগঞ্জের হাট-বাজারে আগ্রাসী স্নেকস্কিন–থাই গুড়ামি, দেশি মাছ বিলুপ্তির আশঙ্কা

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৪ বার পঠিত

নজরুল ইসলাম লিখন, রূপগঞ্জ ঃ খলিশা মাছের মতো। কিন্তু আকারে এর চেয়ে খানিকটা বড়। রূপগঞ্জের বিভিন্ন মাছের আড়ত আর হাট-বাজারে প্রায়ই দেখা মেলে এ মাছের। স্থানীয়ভাবে মাছটি হাইব্রিড খলশে বা চায়না খলশে নামে পরিচিত। দামে সস্তা হওয়ায় মাছটি নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আগ্রাসী মাছটির বংশবিস্তার বাড়াচ্ছে শঙ্কা। কারণ, এ মাছ অন্য মাছের বংশবিস্তারের জন্য হুমকি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, এই মাছের নাম ‘স্নেকস্কিন গুরামি’।স্থানীয় মাছের বংশবিস্তারের জন্য এ মাছ হুমকির। দ্রুত বংশবিস্তার করায় অন্য মাছের জায়গা এটি দখল করে ফেলে। দামে কম হওয়ায় স্বল্প আয়ের মানুষের মধ্যে মাছটির চাহিদা বাড়ছে। রোববার সকালে সরেজমিনে গাউছিয়া বাজার মাছের আড়তে দেখা যায়, অন্যান্য মাছের সঙ্গে নিলামে এই মাছ বিক্রি করছেন আড়তদারেরা। পাইকারিতে এক মণ মাছের দাম উঠেছে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২০০ টাকা। সে হিসাবে কেজিতে দাম পড়ে মাত্র ৮০ টাকা।
বিসমিল্লাহ মাছের আড়তের মালিক রিয়াজ মিয়া বলেন, বিভিন্ন এলাকার জলাশয়ে পাওয়া যাচ্ছে এ মাছ। পাইকারিতে প্রতি কেজি ৭৫ থেকে ৯০ টাকায় এ মাছ বিক্রি হয়।
দেশের অন্য মাছ রক্ষায় এটির চাষ ও পরিবহন নিষিদ্ধ করা উচিত। পাশাপাশি মৎস্য অধিদপ্তরেরও সতর্ক হওয়া উচিত। অ্যাকুয়ারিয়ামের জন্য মাছ আমদানির অনুমতি দেয়ার আগে সেসব মাছের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা উচিত। তা না হলে এভাবেই ধীরে ধীরে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হবে বলে জানান স্থানীয় জেলেরা।
উপজেলার কাঞ্চন বাজারের মাছ বিক্রেতা রতন সরকার বলেন, পুকুর, খাল-বিল ও ডোবা-জলাশয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায় বলে এ মাছের জোগান বেশি। আবার কাটা কম থাকায় অনেকে শিশুদের জন্য এ মাছ কিনে নিচ্ছেন। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষ এ মাছের ক্রেতা। কারণ, এটিই বাজারের সবচেয়ে সস্তা মাছ।
উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের কায়েতপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণ গোপাল বলেন, ২০২৪ সালের পর থেকেই জলাশয়, ধানের মাঠসহ সব জায়গায় প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে মাছটি।
জানতে চাইলে মুড়াপাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘এ মাছ খাদ্য হিসেবে বিষাক্ত নয়। খেতে অনেকটা তেলাপিয়া মাছের মতো। সাকার মাছের মতো অ্যাকুয়ারিয়াম থেকেই এটি দেশে ছড়িয়েছে।’ দেশের অন্য মাছ রক্ষায় এটির চাষ ও পরিবহন নিষিদ্ধ করা উচিত।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘হঠাৎ এ মাছ উপজেলায় বেশি দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। এ মাছ অন্য প্রজাতির মাছের জন্য হুমকি।’

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© 2025 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। সকালের খবর ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি ।
Developed By UNIK BD