ঢাকা, শনিবার, ২রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

রায়পুরায় জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলামে’র লিফলেট বিতরণ

উন্নয়ন, অগ্রগতি ও পরমতসহিষ্ণু রাজনীতির অগ্রনায়ক, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, কিংবদন্তী রাজনৈতিক, বাংলাদেশ ৯বছরের সাবেক সফল রাষ্ট্রনায়ক জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ আদর্শ বুকে লালন করে রায়পুরা উপজেলার পৌর এলাকায় সকল পেশা শ্রেণীর মানুষের সাথে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করছেন।

আজ রবিবার (৫ নভেম্বর)রায়পুরা উপজেলার প্রাণকেন্দ্র বিন্দু রায়পুরা পৌরসভায় সকল শ্রেণির মানুষের সাথে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন।

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের জাতীয় পার্টির একক মনোনীত প্রার্থী রাজপথ কাঁপানো তরুণ মুখ, নতুন প্রজন্মের অহংকার, প্রেসিডেন্ট হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের হাতে গড়া ডাইনামিক রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টির কান্ডারী সবুজপল্লীর রাখালি বালক তৃণমূলের নেতৃত্ব থেকে গড়ে ওঠা পল্লীবন্ধু হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের সৈনিক কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ও উপজেলা শাখার বিপ্লবী সভাপতি প্রকৌশলী মো: শহীদুল ইসলাম।

তাছাড়া গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সময়ে তিনি বলেন, পল্লীর সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান এরশাদ। পল্লী মানে বস্তি,অজপাড়া গ্রাও।যেখানে হতদরিদ্র, অবহেলিত, সুবিধাবঞ্চিত জনগণের আবাসস্থল। যেখানে নেই কোন উন্নয়নের ছোয়া।অন্ধকার দূর করার জন্য নেই কোন বিজলী বাতি, শিক্ষার জন্য নেই কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়,আছে শুধু অভাবের কারণে কষ্ট আর দূর্ভোগ।স্বাস্থ্য সেবার জন্য নেই,কোন দাতব্য চিকিৎসালয়। এমনই বসবাসের জায়গায় যার বিচরণ,যার কর্মকান্ড যার সর্বদা।যাকে আমরা দেখেছি বন্যা এলাকায় এক হাটু পানিতে নেমে নির্যাযিত নিপীড়িত মানুষের কষ্ট দূর্ভোগ দূরীকরণের চেষ্টায় নিবেদিত প্রাণপনে চেষ্টা চালিয়েছেন। যিনি জনগনের জীবন ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রচেষ্টায় মত্ত ছিলেন এবং যার জীবন কেটেছে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার সুপ্রতিষ্ঠার পাশাপাশি তিনি বিচার ব্যবস্থাকে পল্লীতে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন কিন্তু সেই মহান মহৎ উদ্যোগের অস্তিত্ব বিলীন করা হয়েছে। মানুষ এখন বিচারহীনতায় হয়রানী হচ্ছে। তিনি আর অন্য কেউ নয়, তিনি চাকুরী জীবনে সেনাবাহিনীতে সর্বশেষ সেনা প্রধানের দায়িত্বে থেকে জনগণের সেবক হিসাবে অবসর গ্রহণ করেছেন এবং দেশমাতৃকার দায়িত্ব নিয়েছিলেন রাজনৈতিক পদবী নিয়ে দেশের ৯বছর প্রেসিডেন্ট পদমর্যাদায় থেকে নিরলস সেবা দান করেছেন। সর্বশেষ ২০১৯ সালে ১৪ই জুলাই জনগণের অপরিসীম সম্মান নিয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তিনি দেশ, জাতি তথা বিশ্ববাসীর কাছে কিংবদন্তীর রাজনীতিবিদ মর্যাদায় চির স্মরনীয় ও অমর হয়েছেন। তাঁর রাজনীতির মূল আর্দশ ছিল কৃষক, শ্রমিক,মজদুর ও মেহনতি মানুষের জীবন ব্যবস্থার মান উন্নয়ন।তিনি দলের মার্কাটিও নিয়েছিলেন মেহনতি মানুষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার লাঙ্গল। তিনি লাঙ্গলের মধ্যেই মেহনতি মানুষের মঙ্গল খোঁজে পেয়েছেন। আমাদের বাংলাদেশ এই লাঙ্গলের ব্যবহারের প্রভাবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে।দেশে পদ্ম নদীতে বৃহৎ সেতু নির্মাণ হয়েছে এই লাঙ্গলের বদৌলতেই।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন রায়পুরা উপজেলা জাতীয় পার্টির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক মোঃসামসুজ্জামান ভুঁইয়া জামান,সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃগোলাপ মিয়া,যুগ্ম-সম্পাদক মোঃতোফাজ্জল হোসেন,মোঃ মোশারফ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মানিক মিয়া,সদস্য হাবিবুর রহমান, মরজাল ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি মানিক,সাধারণ সম্পাদক মোঃবিল্লাল হোসেন, মহেশপুর ইউনিয়ন সভাপতি নাজির উদ্দিনসহ অন্যান্য ইউনিয়নের সকল নেতৃবৃন্দগণ।

শেয়ার করুনঃ

স্বত্ব © ২০২৩ সকালের খবর ২৪