

নিজস্ব প্রতিবেদক,সকালের খবর
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভার বাঁশঘর গ্রামে সোমবার(০১ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে দু‘গ্রুপের সংঘর্ষে হাসমত উল্যাহ নামের বৃদ্ধ নিহত হয়। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে নিহত হাসমত উল্যাহর ছেলে শাহিন ও মাসুদের নেতৃত্বে লোকজন মঙ্গলবার সকালে প্রতিপক্ষ তোফায়েল ও মোহনের পাকা ভবন ভাংচুর,লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের তান্ডব চালায়।
সুত্রে জানায়,সোমবার রাত ১০টার দিকে প্রবাস ফেরত তোফায়েল ও মোহন লোকজন নিয়ে বির্তকিত সম্পত্তিতে বসতঘর নির্মাণ কাজ করে। এতে চাচা হাসমত উল্যাহ বাধা দিলে দু‘গ্রুপের মাঝে সংর্ঘষ বাধে। এসময় হাসমত উল্যাহ গুরুতর আহত হলে স্বজনেরা উদ্ধার করে রামগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ছেলে শাহিন ও মাসুদ জানায়,জেলা যুবদলের নেতা সুমন চৌধুরীর মাধ্যমে থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে রাত ১০ টার দিকে দুই শতাধিক লোকজন আমাদেও বাড়িতে উপস্থিত হয়ে কাঁটাতারের বেড়া ভেঙ্গে আমাদের সম্পত্তি দখল ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করে। আমার পিতা হাসমত উল্লাহ বাধা দিলে ভাড়াটে লোকজন আমার পিতা হাসমত উল্যাহকে এলোপাথাড়ি পিটাতে থাকে। একপর্যায়ে মাটিতে লুটে পড়লে স্বজনেরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে। সীমানা প্রবেশের পর হইতে অন্তত ৫০ বার থানায় ফোন করলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে নাই।
প্রবাস ফেরাত তোফায়েল ও মোহনের স্বজন জসিম উদ্দিন, মাসুদ আলমসহ কয়েকজন বলে হাসমত উল্যার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পরপরেই তার ছেলে শাহিন ও মাসুদের নেতৃত্বে লোকজন প্রবাস ফেরত তোফায়েল ও মোহসেন বসতঘর ভাংচুর,লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের তান্ডব চালায়। সৃষ্ট ঘটনায় নিহতের ছেলে শাহিন বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
রামগঞ্জ থানার ওসি আঃ বারী বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের ছেলে শাহিন বাদি হয়ে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।