1. alamgirhossen6085@sokalerkhobor24.com : alamgirhossen6085 :
  2. dinislam1144@sokalerkhobor24.com : Din Islam : Din Islam
  3. litonakter@sokalerkhobor24.com : litonakter :
  4. nalam.cht@sokalerkhobor24.com : nalam.cht :
  5. reporter1@sokalerkhobor.com : reporter1 :
  6. info@sokalerkhobor24.com : sokalerkhobor24 :
  7. admin@sokalerkhobor24.com : unikbd :
মেলান্দহে ফসলি ক্ষেতের মাটি যাচ্ছে ইটভাটায় | সকালের খবর ২৪
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সরস্বতী পূজায় উৎসবমুখর মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাস বিএনপি মনোনীত সাইফুর রহমান রানার ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর, থানায় অভিযোগের পর রাতের আঁধারে ফের হামলা ও টাকা লুট সৎ মায়ের সন্তানের মতো উত্তরবঙ্গের সঙ্গে আচরণ করা হয়েছে পঞ্চগড়ে ডা.শফিকুর রহমান ডেভিল হান্ট ফেইজ-২: মোহাম্মদপুর-আদাবরে গ্রেফতার ২২ সাত দিনে সেনা অভিযানে গ্রেফতার ২৭৮ ফতুল্লায় ২০ কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ, পাচারকারী আটক বঙ্গোপসাগরে উদ্ধার বাংলাদেশি জেলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর শিশু নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল: শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক গ্রেফতার রাজউকের ৩৭ জনসহ রূপায়ণ গ্রুপের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

মেলান্দহে ফসলি ক্ষেতের মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬৫ বার পঠিত

জামালপুর প্রতিনিধিঃ

উর্বর ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় নেওয়ার অভিযোগে সরগরম হয়ে উঠেছে মেলান্দহের ফুলকোচা ও নয়ানগর ইউনিয়নের মেঘারবাড়ি এলাকায়।শুষ্ক মৌসুম শুরু হতেই প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট জমির মূল্যবান টপসয়েল কেটে ট্রলি ও মাহিন্দ্র যোগে নিকটবর্তী ইটভাটাগুলোতে সরিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে একদিকে যেমন আবাদি জমির উৎপাদনশীলতা কমে যাচ্ছে, অন্যদিকে জমির প্রকৃতি ও পরিবেশে তৈরি হচ্ছে গুরুতর হুমকি।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, ১২-৩০ ইঞ্চি পর্যন্ত মাটি তুলে নেওয়ায় বছরের পর বছর ধরে চাষাবাদের জন্য ব্যবহৃত উর্বর স্তর নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ধান–পাট–সবজি—কোনো ফসলই আগের মতো জন্মাচ্ছে না। মাটি কেটে নেওয়ার পর জমি অসমতল হয়ে থাকে; আবার ভরাট করতেও গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত খরচ। এতে ছোট ও মাঝারি কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।
গ্রামের কৃষক আব্দুল হাই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জমির মাটি নিয়া গেলে আমরা চাষ করমু কী দিয়ে? মাটি কাটায় উৎপাদন অর্ধেক কমে গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফুলকোচা এলাকায় রিপন ও সুজন নামে প্রভাবশালী দুই ব্যক্তি ও নয়ানগর ইউনিয়নের মেঘারবাড়ি এলাকায় ফকির নামে এক ব্যক্তি চুক্তির নাম করে কৃষকদের প্রলোভন দেখান। যারা প্রতিবাদ করেন তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়। রাতের অন্ধকারে কিংবা ভোরবেলায় দ্রুতগতিতে ট্রলি চালিয়ে মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়। এতে সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তৈরি হচ্ছে ধুলাবালু দূষণ।
লামিয়া নামে এক স্কুল শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা যায়,মাটির গাড়ী রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করায় বইয়ের সারিতে ধুলাবালি লেগে যায়।এতে পড়তে বসার সময় খারাপ লাগে।
রাজিব নামে এক ব্যক্তি জানান,বিভিন্ন জায়গায় ধর্না দিয়ে রাস্তাটি পাকাকরণ করা হয়েছে। মাটির গাড়ি যাতায়াতের ফলে রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে। ছোট ছেলে মেয়েদের সব সময় নজরদারি মধ্যে রাখতে হয়।সার্বক্ষনিক মনের মধ্যে চিন্তা থাকে কোন দুর্ঘটনা ঘটে কিনা।
পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি না থাকায় মাটি কাটার প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
পরিবেশ গবেষকদের মতে, ফসলি জমির টপসয়েল একবার নষ্ট হলে তা পুনরুদ্ধার হতে ১০-১৫ বছর পর্যন্ত সময় লাগে। ইটভাটায় এ মাটি পোড়ানো হলে দীর্ঘমেয়াদে জমি অনাবাদি হয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ে।
উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা আক্তার জ্যোতি সাথে যোগাযোগ করতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© 2025 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। সকালের খবর ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি ।
Developed By UNIK BD