1. alamgirhossen6085@sokalerkhobor24.com : alamgirhossen6085 :
  2. dinislam1144@sokalerkhobor24.com : Din Islam : Din Islam
  3. litonakter@sokalerkhobor24.com : litonakter :
  4. nalam.cht@sokalerkhobor24.com : nalam.cht :
  5. reporter1@sokalerkhobor.com : reporter1 :
  6. info@sokalerkhobor24.com : sokalerkhobor24 :
  7. admin@sokalerkhobor24.com : unikbd :
মাদারীপুরে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে লাইসেন্স বিহীন চলছে একাধিক হাসপাতাল ও ডায়গনস্টিক: মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রোগীরা | সকালের খবর ২৪
রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন

মাদারীপুরে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে লাইসেন্স বিহীন চলছে একাধিক হাসপাতাল ও ডায়গনস্টিক: মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রোগীরা

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৮২ বার পঠিত

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ মাদারীপুর সদর উপজেলায় সরকারী অনুমোদন (লাইসেন্স) ছাড়াই চলছে হাপ ডজন খানেক প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার। কোনো প্রকার সরকারি নিয়মনীতীর তোয়াক্কা না করেই রোগীদের বিভিন্ন রোগের পরীক্ষানিরীক্ষা ও অপারেশন চালিয়ে যাচ্ছে এসব অনুমোদনহীন হাসপাতালগুলো । এতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।এসব হাসপাতাগুলোতে অপারেশনর পর্যাপ্ত যন্ত্রাংশ না থাকায় জেলায় ঘটছে হরহামেশাই সিজারিয়ান রোগীদের মৃত্যু।

সরেজমিনে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার রয়েছে সরকারি অনুমোদন (লাইসেন্স) বিহীন একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল। তবে বেশির ভাগ প্রাইভেট হাসপাতালের মালিকরা তাদের হাসপাতালের অনিয়ম ও দুর্নীতি ঢাকতে কিছু নামধারী ( সংস্থা সাংবাদিকদের ) মাসহারা দিয়ে রাখছেন। অনুসন্ধান করতে গেলে উঠে আসে এদের চিত্র।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, সদর উপজেলার কালিরবাজার এলাকায় মোহাম্মদআলী মেমোরিয়াল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যা ২০২১-২২ অর্থ বছর পর্যন্ত লাইসেন্স ছিল। পরবর্তীতে আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে আর লাইসেন্স করতে হয়নি উক্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। তবে স্থানীয়রা বলছেন, সৈরাচারী সরকার ছাত্রজনতার গনঅভ্যুত্থানে পালিয়ে গেলেও এখনো রয়েছে তাদের দোসররা। তাই কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকতাদের যোগসাজশে এসব লাইসেন্স বিহীন হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলছে। সাংবাদিকরা অনুসন্ধানে মোহাম্মাদালী মেমোরিয়াল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সরেজমিনে গেলে পাওয়া যায়নি কর্তৃপক্ষকে। পরে হাসপাতাল থেকে কোন তথ্য না পেয়ে রিসিপশন থেকে নাম্বার নিয়ে ডাঃ রেজাউল করিমকে (বিএমডিসি রেজি নং ৪১৯৫৫) মুঠোফোনে যোগাযোগ করে লাইসেন্স বিহীন কি ভাবে আপনাদের প্রাঃ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলছে, আর কি কি আপডেট ডকুমেন্টস আছে, এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাথে সাথে সরোয়ার নামের এক জনের নাম্বার দিয়ে তার সাথে কথা বলতে বলেন। ঘটনার অনুসন্ধানের জন্য সরোয়ার হোসেনকে (০১৭১৮৪২৩৭৯৬) মুঠোফোনে কল দিয়ে হাসপাতালের বিষয় বক্তব্য চাইলে, তখনই বাজে বিপত্তি। সরোয়ার হোসেন নিজেকে সাংবাদিকদের অভিভাবক বা উপদেষ্টা দাবি করে বলেন, আপনারা কি নিউজ করবেন, যদি নিউজ করেন, তাহলে আপনাদের বিরুদ্ধেও আমরা নিউজ করবো। আমাদের এশিয়ান টিভির সম্পাদক সাইফুল আমার লোক। তিনি বক্তব্য না দিয়ে তর্ক করে এক পর্যায় ফোন রেখে দেন। তথ্য না পেয়ে সদর উপজেলা কালিরবাজার এলাকার স্থানীয়দের সাথে উক্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিষয় জানতে চাইলে, কথার একটা পর্যায়ে না প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয়রা বলেন, হাসপাতালে ডাক্তারের কোন ঠিকঠিকানা নেই। একেক সময় একেকজন ডাক্তারকে দেখা যায় চিকিৎসা দিতে , কয়দিন আগে শামিমা নামে এক নারীর সিজারের বাচ্চা ডেলিভারি করানোর সময় অপারেশন থিয়েটারেই মা-রা যায়। তবে রোগীর পরিবারকে ভুল বুঝিয়ে নিজেরাই এম্বুলেন্স ভাড়া করে ঢাকা পাঠায়। রোগী ঢাকা নিয়ে গেলে উক্ত হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, প্রায় ঘন্টা তিনেক আগে রোগী মারা গেছে। এদিকে হাসপাতালের স্টাফ কোহিনুরের মাধ্যমে রোগীর পরিবারকে টাকা দিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ঘটনার অনুসন্ধানের জন্য আমরা মৃত্যু শামীমার স্বামী, বাবা এবং প্রতিবেশীদের সাথে তার মৃত্যুর বিষয় নিয়ে কথা বলি। প্রথম পর্যায় টাকা নেওয়ার বিষয় অস্বীকার করলেও এক পর্যায় বলেন, আমি গরীব মানুষ আমার প্রথম সন্তান হইতে গিয়ে আমার স্ত্রী মা-রা গেছে, মামলা করার মতো আমার কিছু নাই। এব্যাপারে আমার (জেউডাস) স্ত্রীর বড়ো বোন ও আমার শশুরের কাছে বলেন।

এব্যাপারে মাদারীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ শরীফুল আবেদীন কমল অসুস্থ থাকায়, এমও সিএস ডাঃ এসএম খলিলুজ্জামন বলেন, প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লাইসেন্স বিহীন বা লাইসেন্স নবায়ন ছাড়া চালাতে পারেনা। যেসকল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লাইসেন্স নতুন বা নবায়ন করেনি, জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এবং যে রোগী সিজার করা অবস্থায় মা-রা গিয়েছে,তার আত্মীয়-স্বজন যদি আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন, তাহলে তদন্তের মাধ্যমে আমরা ব্যবস্থা নেবো।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© 2025 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। সকালের খবর ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি ।
Developed By UNIK BD