ঢাকা, শনিবার, ২রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

পোশাক শিল্পে নাশকতা প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে র‍্যাব

সম্প্রতি মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করেছে পোশাক শ্রমিকরা। তবে বেতন বৃদ্ধির আন্দোলন থেকে গুজব ছড়িয়ে নাশকতার চেষ্টা হয়েছে।

এবার শ্রমিক আন্দোলন পুঁজি করে পোশাক শিপ্লে কোনো ধরনের নাশকতা-সহিংসতার চেষ্টা করলে তা প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে র‍্যাব।

সংস্থাটি বলছে, যেখানে সকল এলাকায় গার্মেন্টস বেশি রয়েছে সেই স্থানগুলোতে র‌্যাবের টহল বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ এবং বিজিবির সঙ্গে র‍্যাব যৌথ পেট্রোল করছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা এবং সহিংসতা রোধে র‍্যাবের কার্যক্রম চলমান থাকবে।

রোববার (৫ নভেম্বর) দুপুরে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, যারা গার্মেন্টস শিল্পকে নিয়ে অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি করছে তাদের অনেককে আমরা আইডেন্টিফাই করতে পেরেছি। তাদের বেশ কয়েকজনকে এরই মধ্যে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। ভবিষ্যতে যারা এই শিল্প নিয়ে অরাজকতার চেষ্টা করবে, পেছন থেকে হোক বা মাঠ থেকে হোক তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। মূলত র‌্যাবের শক্ত অবস্থানের কারণে পোশাক সেক্টরে এখন স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে।

যারা নাশকতা, সহিংসতার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠিন আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়ে কমান্ডার মঈন বলেন, মিরপুর, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় দুষ্কৃতকারীরা চোরাগুপ্ত হামলা থেকে সহিংসতা করেছিল। তবে আজ এখন পর্যন্ত কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

এদিকে, বিএনপি-জামায়াত ও তাদের সমমনা দলগুলোর দ্বিতীয় দফায় অবরোধের সময় জনগণের জানমাল রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দেশব্যাপী র‌্যাবের ৩০০ টহল টিম কাজ করছে।

কমান্ডার মঈন বলেন, জনজীবন স্বাভাবিক রাখা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদ সুরক্ষা করতে র‌্যাব ফোর্সেস নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দেশব্যাপী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীতে ৭০টি টহল দলসহ ১৫টি ব্যাটালিয়নের প্রায় ৩০০ টহল দল নিয়োজিত থাকবে।

দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি কার্যক্রম চলমান থাকবে জানিয়ে কমান্ডার মঈন বলেন, কেউ যদি কোনো নাশকতা কিংবা সহিংসতার পরিকল্পনা করে তাকে সঙ্গে সঙ্গে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‌্যাবের স্পেশাল টিম ও স্টাইকিং ফোর্স রিজার্ভ রাখা হয়েছে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে দুস্কৃতকারী ও সন্ত্রাসীরা নাশকতা ও সহিংসতার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। যারা এ ধরনের নাশকতা ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদেরকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ, ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে কাজ করছে র‌্যাব।

ডিআই/এসকে

শেয়ার করুনঃ

স্বত্ব © ২০২৩ সকালের খবর ২৪