

স্টাফ রিপোর্টারঃ ভূমি অধিগ্রহণ করার ফলে ক্ষতি গ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেয় গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। আর ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের প্রাপ্য পেতে দারস্ত হন পটুয়াখালী এল এ শাখায়। উক্ত শাখাকে ঘিরে দালালদের দৌরাত্ম্য আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। সুত্রে জানা গেছে, তাদের সহায়ক হিসাবে কাজ করছেন এ অফিসের দু’একজন কতিপয় সার্ভেয়ার ও কানুনগো এবং ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীরা। অনুসন্ধান চালিয়ে জানা গেছে, পটুয়াখালী এল এ শাখার দালালি করে না এমন কোনও শ্রেনী -পেশার মানুষ বাকী নেই। এলএ শাখা দখল করে প্রতিনিয়ত দালালী করে বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন হাতে গোনা কয়েক জন দালাল । এ শাখার কর্মকর্তারা উক্ত বিষয় নিশ্চুপ থাকায় সঠিক জমিদাতারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সুত্রে আরও জানা গেছে, দালালরা বাড়ি-ঘর ও অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেলেও জমিদাতাদের হয়রানি হতে হতে টাকা -পয়সা থেকে শুরু করে জুতার তলা পর্যন্ত ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। তবুও তাদের দালাল ও হয়রানি পিছু ছাড়ছে না। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে নারী-পুরুষ কেউ বাদ যাচ্ছে না তাদের হাত থেকে। দালালদের মূল লক্ষ্যেই হচ্ছে কোথায় কার জমি আছে,কার কার্ডের জমি আছে এ গুলোর তথ্য উপাথ্য সংগ্রহ করে জমিদাতাদের হয়রানি করা। তাতে কোনও সুফল না পেলে ভুয়া কাগজপত্র তৈরী করে কতিপয় ব্যক্তিদের জমির মালিক সাজিয়ে এলএ শাখায় আপত্তি দিয়ে প্রকৃত মালিক কে বঞ্চিত করা কিংবা কৌশল অবলম্বন করে তাদের থেকে ব্লাংক চেক নিয়ে আপোষ – মিমাংসা করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাভবান হচ্ছে দালালরা। এ যেন দেখার কেউ নেই। দালালরা গ্রাম থেকে শহর ও এল এ শাখার পরতে পরতে অফিস স্টাফ এবং মাস্তান সহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষজন কে ম্যানেজ করে তারা বিশাল একটা সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। এ জন্য দালালরা দুদক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহ কোনও কাউকে পরওয়া করেন না। দালালদের হাত এত লম্বা যে তাদের কেউ কিছু করতে পারছেন না।দালারা এ সকল কাজ কর্ম সারতে পটুয়াখালী ডিসি কোর্টের পশ্চিম পার্শ্বের প্রায় দোকান পাঠ ও হোটেল কে তাদের অফিস বানিয়ে ফেলেছেন। পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন তাদের নিজস্ব আঙ্গীকে এ বিষয় তদারকি করলে দালালরা নিশ্চয়ই আইনের আওতায় আসবে। এ ব্যাপারে জানতে
পটুয়াখালী ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার এলএ কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো: নাছিম রেজা এর মুঠোফোনে কয়েক বার কল দিলেও প্রতিবারই তাঁর ফোন কল ব্যস্ত পাওয়া যায়। এ জন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।