

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে প্রতিবেশী থানায় খবর দিলে থানা পুলিশ উপস্থিত হয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় দরজা ভাঙ্গে ঝুলন্ত মৃতদেহটি নামান হয়েছে। মৃতের দুই পুত্র সন্তান ইয়ামিন ইসলাম নাফিস ও ইয়াকিন ইসলাম রুবাইত রয়েছে। মোসাঃ নাসরীন দম্পতি গলাচিপা পৌরসভার সামুদাবাদ ০৭ নম্বর ওয়ার্ডের গনি মিয়া সড়কের মোঃ জামাল হোসেন এর বাড়ির ভাড়াটিয়া। তিনি পটুয়াখালীর বাউফলের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নওমানা ইউনিয়নের বাসিন্দা আবুল কালাম হাওলাদারের সন্তান।
স্বামী মোঃ রেজাউল করিম জানান, রাত ১০.০০ ঘটিকার সময় আমাদের শয়ন কক্ষে শুয়ে ছিলাম এমন সময় আমার স্ত্রী মোসাঃ নাসরীন (২৭) বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে শয়ন কক্ষ থেকে পাশের রুমে চলে যায়, পাশের রুমে গিয়েই ভেতর থেকে দরজার ছিটকানী আটকিয়ে দেয়। তারপর আমি এবং আমার বড় ছেলে ইয়ামিন ইসলাম নাফিস দরজা খোলার জন্য বলি দরজা না খুললে ধাক্কা দেই তাতেও দরজা খুলে না। এভাবে ১০/১৫ মিনিট ডাকাডাকি করার পরে আমরা পাশে বারান্দায় গিয়ে দেখতে পাই আমার স্ত্রী মোসাঃ নাসরীন ফ্যানের সাথে ঝুলে আছে। আমার স্ত্রী মোসাঃ নাসরীন কে এই অবস্থায় দেখে আমি এবং আমার বড় ছেলে ইয়ামিন ইসলাম নাফিস ডাক চিৎকার করতে থাকি। আমার স্ত্রী গলায় ফাসজনিত কারনে মৃত্যুবরন করিয়াছে।
থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিল্লুর রহমান জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠানো হয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠান হয়েছে। কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।