

নড়াইল প্রতিনিধি:নানা কারণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের জন্য নতুন একটি মাইলফলক হতে চলছে। যার ফলে এই নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপিসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রার্থী বাছাইসহ নির্বচানি মাঠ গুছাতে ব্যস্ত সময় পার করছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ অন্য অন্যন্যা রাজনৈতিক দলগুলো। এরই মধ্যে জামায়াত ইসলামি নড়াইলের দুটি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেও বিএনপির এমন কিছু চোখে পড়েনি। যদিও দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতাদের দৌঁড়ঝাপের চিত্র এখন অনেকটাই প্রকাশ্য। এরই ধারাবাহিকতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-কালিয়া এক আসনে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম সাজ্জাদ হোসেন। তিনি ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রাপ্ত হয়েছিলেন। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষে (নড়াইল-কালিয়া) নির্বাচনীয় এলাকায় দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ, সভা, সমাবেশ, উঠান বৈঠক ও লিফলেট বিতরণ করে চলেছেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে ছুটে চলছেন। সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচি। লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম সাজাদ হোসেন অব সেনাবাহিনীতে সুদীর্ঘ ৩০ বছর অত্যন্ত সুনামের সাথে চাকরি করেছেন তার চাকরি জীবনে কোন কালিমা নাই এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ব্রীজ কালভার্ট এবং প্রায় ১৫০ জনের অধিক ব্যক্তিকে সরকারি চাকরি দিয়েছেন। এলাকায় তিনি অত্যন্ত একজন সবার প্রিয় ব্যক্তিত্ব তার হাতে যদি নড়াইল ১ আসনের বিএনপি হতে মনোনয়ন দেওয়া হয় তাহলে বর্তমানে বিদ্যমান বিএনপিতে যে বিভক্তি এবং দলীয় কোন্দল আছে সেটা থাকবে না এবং তার গ্রহণযোগ্যতা এতই বেশি এলাকার সর্বসাধারণ দলীয় এবং নির্দলীয় ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে নড়াইলে ধানের শীষ কে জয়ী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বর্তমানে জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম এর একটি পক্ষ এবং কালিয়া উপজেলার নির্বাচিত বিএনপি সভাপতি পৌরসভার সেক্রেটারি এবং বিশাল একটি অংশের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং মতবিভেদ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে যা দলের জন্য বড়ই ক্ষতিকর। এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়নে লোকজনের সাথে আলাপ প্রসঙ্গে তার গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি বলেই জানা গেছে। বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীরা আরও জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল যাকে মনোনয়ন দিবে তার হয়ে তারা কাজ করবে। তারা আরও বলেন, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম সাজ্জাদ হোসেন ভাই ভালো মানুষ সত মানুষ। দলের দূর্দিনে তিনি আমাদের খোঁজ খবর নিয়েছেন। তিনি ২০১৮ সালে দল থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। আমরা শতভাগ আশাবাদী তিনি এবারও দল থেকে মনোনয়ন পাবেন এবং দল তাকে যথাযথ সম্মান করবে।বিএনপি নেতা লেফটেন্যান্ট কর্ণেল সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমি বিগতদিনেও রাজপথে ছিলাম এখনও রাজপথেই আছি। ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে আমি মনোনয়ন পেয়েছিলাম। যদি দল আমাকে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দেয় নির্বাচন করব। দল যাকেই মনোনয়ন দিক দলের হয়ে তাকে নির্বাচনে জয়ী করব।তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের ৩১ দফা হলো সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।