1. alamgirhossen6085@sokalerkhobor24.com : alamgirhossen6085 :
  2. dinislam1144@sokalerkhobor24.com : Din Islam : Din Islam
  3. litonakter@sokalerkhobor24.com : litonakter :
  4. nalam.cht@sokalerkhobor24.com : nalam.cht :
  5. reporter1@sokalerkhobor.com : reporter1 :
  6. info@sokalerkhobor24.com : sokalerkhobor24 :
  7. admin@sokalerkhobor24.com : unikbd :
নওগাঁ -৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হতে মাঠে আছেন ডাঃ টিপু | সকালের খবর ২৪
শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আমতলীতে আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে সন্তুষ্টির হাসি রাজঘাটে দেশনেত্রী বেগম  খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত অফিস কর্তৃক আয়োজিত গ্রাম ভিত্তিক অস্ত্রবিহীন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ চলমান মাদারীপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের মতবিনিময় চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল নেতা মোশাররফ’র বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার ডিএমপির মিরপুর বিভাগের নতুন ডিসি মইনুল হক দেশে ফিরলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন রাঙ্গামাটি রাজস্থলী প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সভা মাভাবিপ্রবিতে ইংরেজি এমএ ভর্তি আবেদন শুরু, পরীক্ষা ৩০ জানুয়ারি

নওগাঁ -৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হতে মাঠে আছেন ডাঃ টিপু

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫
  • ৩০৬ বার পঠিত

রাজশাহী প্রতিনিধি : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৯,নওগাঁ -৪ (মান্দা) আসনের এবার ধানের শীষের প্রার্থী হতে চান ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু। তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি’র দ্বিতীয় মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। প্রথম মনোনীত হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন সাবেক এমপি সামসুল আলম প্রামাণিক। ইতোমধ্যে উনি মৃত্যুবরণ করেছেন। সেই হিসেবে আগামি নির্বাচনে ডাঃ টিপু অগ্রাধিকার পাবেন বলেই সুধী মহল মনে করছেন।
ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে এলাকায় ফিরে এসে বিএনপি’র সংগঠন গোছানোর কাজ শুরু করেন ১৯৯৩ সালে। তখন মান্দায় বিএনপি’র বেহাল দশা। ডাঃ টিপু পর্যায়ক্রমে ছাত্রদল, যুবদল এবং বিএনপি’র মূল সংগঠন গুছিয়ে আনেন। ১৯৯৫ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে এই আসনে নতুন প্রার্থীর সন্ধান শুরু হলে নওগাঁ সদরের তৎকালীন এমপি আলহাজ্ব শামস উদ্দিন আহমেদ এবং সেই সময়ের সংস্থাপন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু-কে প্রার্থী হতে বলেছিলেন। কিন্তু ডাঃ টিপু তখনকার শক্তিশালী আওয়ামী প্রার্থী মুহঃ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক- এর বিপরীতে নিশ্চিত বিজয়ী হতে পারেন এরকম ব্যক্তি হিসেবে সামসুল আলম প্রামাণিক- কে মনোনয়ন দেয়ার সুপারিশ করেন। মূলতঃ ডাঃ টিপুর প্রস্তাবে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমর্থনের ফলেই সুইডেন প্রবাসী ( সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান) সামসুল আলম প্রামাণিক- কে ফিরিয়ে এনে বিএনপিতে যোগদান করিয়ে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী করা হয়। তিনি বিজয়ীও হন। এরপর ১৯৯৬ এর ১২ জুন, ২০০১ এর পয়লা অক্টোবরের নির্বাচনও তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। আর এসব নির্বাচনে ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। এমপি সামসুল আলম প্রামাণিক এর সাথে থেকে তিনি একদিকে সংগঠন গড়েছেন, অন্যদিকে এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে এমপির প্রতিনিধি হিসেবে গণমানুষের সাথে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত থেকেছেন। দলের সাধারণ সম্ম্পাদক হিসেবে দুই টার্ম দায়িত্ব পালন এবং নওগাঁ জেলা বিএনপিতে দুইবার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মাঝে ২০০৯ সালে ডাঃ টিপু উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন সহ সীমিত সুযোগের মধ্যেও তিনি এলাকার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন । সার্বিক বিবেচনায় সামসুল আলম প্রামাণিক-এর পরেই দ্বিতীয় প্রার্থী হিসেবে ২০১৮ সালে মনোনীত হয়েছিলেন তিনি।
শুরু থেকে অদ্যাবধি ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক কাজকর্ম বা জনসেবামূলক কাজকর্ম নিয়েও ব্যস্ত সময় কাটান। পেশায় চিকিৎসক হবার কারণে তাঁর জন্য এই সুযোগ আরও বেশি। মাঝেমাঝেই তিনি বিভিন্ন গ্রামে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করে মানুষকে চিকিসাসেবা দেন। বন্যা,খরা সহ বিভিন্ন অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে তিনি ব্যাপক চিকিসাসেবা দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে বিগত করোনাকালে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনরাত রোগি দেখেছেন এবং চিকিসাসেবা দিয়ে সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসা কুুুড়িয়েছেন। সেসময় অসহায় মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তাও দিয়েছেন। এগুলো ছাড়াও খেলাধুলা, মুসলমানদের ইসলামি জালসা, তাফসীরুল কুরআন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের হরিবাসর, বিভিন্ন পূজা সহ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে নিয়মিতই যোগদান করে থাকেন এবং ধর্মীয় / সামাজিক প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে সাহায্য সহযোগিতায় তাঁর হাত প্রসারিত সবসময়।
রাজনৈতিক দলের কর্মি হিসেবে তিনি শুরু থেকেই সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও আন্দোলন-সংগ্রামে সমানভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। অন্য যেকোন সময়ের চাইতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী পতনের আন্দোলনের শেষের দিকের কর্মসূচিগুলো তিনি সমস্ত ঝুঁকি মাথায় নিয়ে নেতৃত্ব দিয়ে বাস্তবায়ন করেছেন। মান্দায় মূলতঃ তাঁরই নেতৃত্বে এসময়ের হরতাল-অবরোধ,মশাল মিছিল, রাস্তায় ব্যারিকেড দেয়া ইত্যাদি কর্মসূচিতে ডাঃ টিপু ব্যতীত অন্য কাওকে তেমন দেখা যায়নি।
সাংগঠনিকভাবে শুধু নয়, ব্যক্তিগত কারিশমায় তিনি মান্দাবাসীর প্রিয় মানুষ। তাঁর জীবনের ত্যাগও অনেক। ১৭ তম বিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে তিনি মেডিকেল অফিসার হিসেবে সরকারী চাকরীতে যোগদান করেও শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণেই তিনি চাকরী ছেড়ে দেন, ফুলটাইম রাজনৈতিক কর্মি হিসেবে কাজ করেন তিনি।
ব্যক্তিজীবনে তাঁর সহধর্মীণিও মহিলা দল করেন, তাঁর পাশে থেকে অণুপ্রানিত করেন ; একমাত্র সন্তানও ডাক্তারি পাস করার পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করে বর্তমানে মেজর পদে কর্মরত । ফলে ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু’র কোন পিছুটান নাই। তাইতো তিনি ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে শুধুমাত্র মান্দাবাসী তথা মান্দা এলাকা নিয়েই ভাবেন, কাজ করেন।
এই প্রতিবেদক তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেতে কেমন আশাবাদী তিনি?? তাঁর সহজ-সরল উত্তর, “এতো নিঃস্বার্থভাবে দল সংগঠন করেছি, কখনও পদ-পদবির লোভ করিনি, সরকারী চাকরী ছেড়ে দিয়ে ফুলটাইম রাজনীতি করেছি, জীবনের ঝুঁকি নিয়েও মানুষকে সেবা দিয়েছি, আন্দোলন-সংগ্রামে দলের সকল কর্মসূচি দৃঢ়তার সাথে পালন করেছি, জীবনে সন্ত্রাস- চাঁদাবাজি, ঘুষ-দূর্ণীতি করিনি, তারপরও দল মূ্ল্যায়ন করবে না কেন , নিশ্চয়ই করবে। না হলে যে ভালো মানুষরা রাজনীতিতে আসবে না আর। সেজন্যই আমি দলীয় মনোনয়নের আশা করছি।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© 2025 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। সকালের খবর ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি ।
Developed By UNIK BD