

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
সড়ক ও জনপদ বিভাগ নওগা জেলার এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সওজ),মো.রায়হান মিয়া ও তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের নামে বেনামে জ্ঞাত আয় বহির্ভুত অবৈধ সম্পদের গড়েছেন।
তাদের এসব অবৈধ উপার্জনের বিষয়ের তদন্ত চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে দুদক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো. সিরাজুল ইসলাম, নামের এক ব্যক্তি।
দুদকের অভিযোগ সূত্রে জানান,মো. রায়হান মিয়া, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সওজ), সড়ক ও জ বিভাগ নওগা জেলায় কর্মরত আছেন। তার পিতা একজন গরিব কৃষক ছিলেন, রায়হান মিয়া চাকুরীতে। যোগাদান করার পর তার পিতা এখন দুর্গাপুর এলাকার নাম করা বড় ব্যবসায়ী ও ধনাটা ব্যক্তি। বলে সকলের নিকট পরিচিত। তার মূলে রয়েছে তার ছেলে রায়হান অবৈধ সম্পদের টাকা দিয়ে তিনি এলাকায় জমি বাড়ী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি সড়ক ও জনপদ বিভাগে চাকুরী শুরু করার পর আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়ে এখন কোটি কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। তিনি একজন কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়া স্বত্বেও আঙ্গুর ফুলে কল হয়েছেন। তার বাবা একজন গরিব কৃষক দিন আনতো দিন খাইতো, এখন তার বাবাকে তিনি দূর্গাপুর বাজারে নাম করা ব্যবসায়ীর বানিয়েছেন। দুর্গাপুর এলাকায় অধিকাংশ জমি জমা ক্রয় ও বন্ধক নিয়েছেন। তিনি একজন চাকুরীজীবী হওয়া স্বত্বেও কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন বলে তার এলাকাবাসী, সাব্বির মারুফ, হানিফ, হাবিব, দোলন, সোলেমান, ফয়সাল, আরিফ, লেবু, বাবু, তামিম, আজিজ, মুক্তার, ছালাম সহ থেকে তথ্য জানা গেছে। তার পিতার নাম- মো. মোস্তাব আলী, মাতা- মোছাঃ রেহেনা বেগম, তার জা পরিচয়পত্র নং-৭৩৪১৮৪২৭৫০ জন্ম তারিখ- ০৭/০৫/১৯৯৪ইং, তার টিআইএন নং- ৫৫২৯৬৬১১৮৩২৮, কর সার্কেল- ১৩, কর অঞ্চল রংপুর। তার স্থায় ঠিকানাঃ গ্রাম- সরহাট্টা দুর্গাপুর, ডাকঘর- গোপালপুর, উপজেলা- মিঠাপুকুর, জেলা-রংপুর। রায়হান মিয়া তার এলাকায় একজন নামদামী ও অবৈধ কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তার স্ত্রীর নামে ভেন্ডাবাড়ী এলাকায় ২৫ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। তার বিষয়ে দৈনিক প্রানের বাংলাদেশ পত্রিকায় গত ৩১/১০/২০২৪ইং তারিখে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। একই বিষয়ে গত ০৫/১১/২০২৪ইং তারিখ দৈনিক ভো সময় পত্রিকায় ও গত ২৮/১০/২০২৪ইং তারিখে দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকায় আলাদা-আলাদা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তার ও পরিবারে কিছু অবৈধ সম্পদের বিরবর্ণী নিয়ে তুলে ধরা হলো। (১) বাসা নং- ৭৮, রোড- ৯, এভিনিউ- ০২, নিকুঞ্জ- ১. খিলক্ষেত, ঢাকা। উক্ত বাসার ৫ম তলায় তিনি একটি ২৫০০ বর্গফুটের আলি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন ৪ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা দিয়ে, যা তিনি তার আয়কর নথিতে প্রদর্শন করেননি। (২) বাসা নং- ৭৯০, রোড নং- ১২, ব্লক-এইচ, ঢাকা উদ্যান, বসিলা, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। উক্ত বাড়িটি ৮ম তলা বিশিষ্ট ভবন যা প্রায় তিনি অর্ধশত কোটি টাকা ব্যয় করে নি করেছেন। (৩) বাসা নং- ২৩, রোড নং- ০৬ ব্লক-সি, শেখেরটেক, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। উক্ত বাড়ীটির ৮ম তলা বিশিষ্ট। উক্ত বাড়ীটি তার নামে হয়েছে। বাড়ীটি নির্মাণ করতে প্রায় ৩০ কোটি টাকা খরচ করেছেন। (৪) বাসা নং- ১৩, রোড- ০৬, মুলাটল, রংপুর সদর, রং বাড়ীটি ৭ম তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করেছেন প্রায় কয়েক কোটি টাকা ব্যয় করে। (৫) ফ্ল্যাট নং- ৯৫, রোড নং- ৬. দক্ষিণখান উত্তরা ঢাকা উক্ত বাসার ৩য় তলায় তিনি নিজ নামে একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা দিয়ে। (৬) বাসা- ০৯ রোড-০১, ব্লক- বি, বসিলা কাটাশুর, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭। উক্ত বাসাটি তিনি ১৫ কাঠা জমির উপর একটি ৭ম ভবন নির্মাণ কাজ করেছেন। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকার উপরে। (৭) বাসা নং- ২৩৪, রোড-৭, সেক্টর- ১৮, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। বাড়ীটির ৭ম তলায় তার স্ত্রীর নামে একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয় করে। (৮) রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় ৫০ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় কয়েক লক্ষ টাকা। (৯) রংপুর জেলা শহরে আরোও একটি ৭ম তলা বাড়ী নির্মাণ করেছে কোটি টাকা ব্যয় করে। এছাড়াও তার ২০২০-২০২৪ করবর্ষে আয়কর রিটার্ণ মূলে জানা যায় যে, ২০৩ শতাংশ জমি মালিক যার মূল্য তিনি দেখিয়েছেন ১০,১২,০০০ টাকা এবং তিনি একটি এফজেড-ভি-৩, যাহার রেজিস্ট্রেশন নং-নওগাঁ-ল-১২১৬-৮১, যার মূল্য দেখিয়েছেন ২,৭৬,০০০/- টাকা এবং ৪১। স্বর্ণ অলংকারের মূল্য দেখিয়েছেন মাত্র ১,৫০,০০০/- টাকা। এছাড়াও তার ব্যবসা শত-২২ বহিভূত নগত অর্থ ও তহবিল প্রদর্শন করে। ২০.৯০,২৫৪/- টাকা। তিনি ২০২৫-২০২৪ অর্থ বছরে তার নিট সম্পাদ আয়কর নথিতে প্রদর্শন করেছেন ৭৭৬৮৫৫৪/-টাকা। উপদে টাতা সম্পূর্ণ অবৈধ ও যুদ্ধ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত। তিনি তার এলাকায় উচ্চমূল্যে জমি ক্রয় করে থাকেন অবৈধ টাকার মাধ্যমে। এখন দুর্নীতি
বাশ্বসাৎ করার কাছে হাত রয়েছেন। তার বিষয়ে তদন্ত করলে আরও অভৈষ সম্পদ নামে, বেনামে পা যাবে। তার বিষয়ে সঠিক তদন্ত করতে আরো গুরুত্বপূর্ণ অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া যাবে। একজন উপ সহকারী প্রকৌশলী কিভাবে এতো সময়ে সম্পদের পাহাড় গড়েলেন তা আশ্ব্যার্থ বিষয় বলে তা এলাকার লোকজনের মুখে মুখে শুনা যায়। জনত করা দরকার। উল্লেখ্য যে, তার গ্রামের দুর্গাপুর বাজারের সংলগ্ন আজগার আলী ২০ শতাংশ জমি ৬০ লক্ষ টাকা দিয়ে জনায় করেছেন। এবং বস্তুল ৫০ শতাংশ জমি ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে ক্রয়। মায়ের নামে প্রাইভেট কার মতেছে যার এছাড়াও তার পরিবারের সদস্যেদের নামে বেনামে কোটি কোটি ই দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রয়েছে। যা তারা তাদের আয়কর নথিতে প্রদর্শন করেননি। এ বিষয়ে গত ২৪/০৯/২০২৪ইং তারিখে উপদে সড়ক জনপদ ও মহাসড়ক বিভাগ, সড়ক জনপদ ও সেতু মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন মো. হোসেন নামের জনৈক ব্যাক্তি। বিষয়টি ভদন্ত করলে আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। উল্লেখ্য যে তার ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমা রয়েছে, এবং দেশের আনাছে কানাছে আরো অসংখ্য সম্পত্তি রয়েছে যা তিনি তার আয়কর নথিতে প্রদশন করেন নি। তার এলাকাবাসির নিকট তার বিষয়ে অনুসন্ধান করলে আরো গুরুত্বপুর্ণ অবৈধসম্পদের তথ্য পাওয়া যাবে। উলেখ্য যে রায়হান মিয়ার বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয় জমা প্রদান করার পরেও, দুর্নীতি দমন কমিশনের কিছু দুর্নীতি অসাদু কমচারী মাধ্যমে বড় অংকের টাকার বিনিময়ে রায়হান মিয়ার বিরুদ্ধে দুদকের সমস্ত অভিযোগ গোপনে তুলে ফেলেন। রায়হান মিয়া বলেন যে আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দিয়ে কোন কাজ হবে না। কারণ দুর্নীতি দমন কমিশনকে আমি টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে রেখেছি। রায়হানকে সার্বোক্ষনিক সহযোগীতা করে থাকেন নওগাঁ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী সড়ক জনপদ বিভাগ এর রাশেদুল ইসলাম ও আরো কয়েক জন প্রভাব শালী সড়ক জনপদ বিভাগের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। যারা রায়হান মিয়াকে ব্যবহার করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে কোটি কোটি টাকা ঘুষ গ্রহন করেছন। রায়হান মিয়ার বিষয়ে সঠিক তদন্ত না করলে দুর্নীতি দমন কমিশন সম্পর্কে মানুষের ভরসার স্থল নষ্ট হয়ে যাবে। ভাই রায়হান মিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত করে আরো গুরুত্বপূণ তথ্য পাওয়া যাবে।
বিঃদ্রঃ তার অবৈধ সম্পদের বিষয়ে সাংবাদিকগণ অনুসন্ধান করতে গেলে তিনি সাংবাদিক ভয়ভীতি, হুমকি সহ সড়ক জনপদের ঠিকাদারদের মাধ্যমে হত্যার হুমকি দিয়ে থাকেন। এছাড়াও তার নানা সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর বলে তিনি সাংবাদিকদের হুমকি দেন। এছাড়াও তিনি সাংবাদিকদের হয়রানি করার জন্য পুলিশ, ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের সহযোগীতা নিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা হামলা দিয়ে তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানের বিষয়ে বাধা প্রদান করেই যাচ্ছেন। তার বতমানে কয়েক শত কোটি টাকা বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করেছেন। যা তার পিতা ও তার মাতা বিষয়টি অবগত রয়েছেন। তার বিষয়ে তদন্ত করা খুব জরুরী।