পীরগঞ্জে শ্বশুর বাড়ি লোকজন কতৃক গৃহবধূ কে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা

মোঃ আলমগীর ইসলাম গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
রংপুরের পীরগঞ্জে তিন নম্বর বউকে মেনে না নেওয়ায়, স্বামী শাশুড়ী ও দেবর কর্তৃক গৃহবধূ ছামছুন্নাহার (৪০)ও তার প্রতিবন্ধী সন্তান ফাতেমা (১৪) কে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।ঘটনাটিঘটেছে পীরগঞ্জ উপজেলার কাবিলপুর ইউপির শেরপুর গ্রামে।অভিযোগে জানাযায় প্রায় ১৫ বছর পুর্বে পলাশবাড়ী উপজেলার উদয়সাগর গ্রামের নুরুজ্জামান সরকারের কন্যা শামসুন্নাহারের সাথে পীরগঞ্জ উপজেলার কাবিলপুর ইউপির শেরপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ মিয়ার ছেলে জায়দুল ইসলামের বিয়ে হয়।দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি কন্যা সন্তান জম্ন হয়।বড় মেয়ে প্রতিবন্ধী ফাতেমা বয়ষ (১৪),ও ছোট মেয়ে বৃষ্টি (৯)।অভাব অনটনের সংসারে জায়দুল প্রায়ই যৌতুকের জন্য স্ত্রী শামসুন্নাহারকে মারপিট করে।দুই দফায় জায়দুলকে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক প্রদান করে শামসুন্নাহারের পরিবার।উক্ত টাকা নিয়ে জায়দুল দিনরাত জুয়া ও মাদক ব্যাবসায় জরিয়ে পরে।এতে বাধ সাধে স্ত্রী ছামছুন্নাহার। ফলে প্রায়ই তাকে মারধর করে স্বামী জাইদুল, দেবর জাকিরুল ও শাশুড়ী রাহেনা।এরইধারাবাহিকতায় ৬ বছর পুর্বে জায়দুল চাকুরীর কথা বলে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানকে রেখে ঢাকায় চলে যায়।এরপর ১ম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে ২য় বিবাহ ও তৃতীয় বিবাহ করে।৬ বছর পর জায়দুল তার তৃতীয় স্ত্রীকে নিয়ে গত ২২ জুলাই ঈদের দিন বাসায় ফিরে প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহারকে বাড়ী থেকে চলে যেতে বলে। এতে ছামছুন্নাহার অস্বীকৃতি জানালে জায়দুল, তার ভাই জাকিরুল, মা রাহেনা মিলে ছামছুন্নাহার ও তার প্রতিবন্ধী সন্তান ফাতেমাকে লাঠি দিয়ে বেদম মারপিট করার এক পর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে।পরে তাদের উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শামসুন্নাহারের অবস্থা আশংকা জনক বলে জানাযায়।এঘটনায় শামসুন্নাহার বাদী হয়ে তিন জনকে আসামী করে পীরগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি অভিযোগ দাখিল করেছে।