

রবিউল হোসাইন সবুজ, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি:রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে লাকসাম উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন রায়হান (২৮)–এর মরদেহ উ’দ্ধার করা হয়েছে। সোমবার রাতে গুলশান থানা পুলিশ মরদেহটি উ’দ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।পুলিশের একটি সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলের অবস্থা দেখে আত্মহ’ত্যা বলে ধারণা করা হলেও, ঘটনাটি হ’ত্যা নাকি আত্মহ’ত্যা—এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে।পরিবারের দাবী এটি পরিকল্পিত হ’ত্যা।রায়হানের স্বজনসহ ঘনিষ্ঠ পরিচিতজনরা দাবি করছেন, এটি কোনোভাবেই আত্মহ’ত্যা হতে পারে না। তাদের অভিযোগ, রায়হানকে পরিকল্পিতভাবে হ’ত্যা করে ঘটনাকে আত্মহ’ত্যা হিসেবে সাজানো হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।লাকসাম উপজেলার মুদাফফরগঞ্জ ইউনিয়নের নগরিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আল-আমিন রায়হান ছিলেন স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছাত্রলীগ নেতা। তিনি ঐ এলাকার জনপ্রিয় চেয়ারম্যান শাহিনের ভাতিজা এবং পিতা মো. তাজুল ইসলাম–এর বড় ছেলে।ছাত্রলীগের রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। অল্প বয়সেই নেতৃত্বগুণ ও সক্রিয়তার কারণে তিনি লাকসাম উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান।গুলশান থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, ঘটনাস্থলের তথ্যপ্রমাণ এবং ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এটি আত্মহ’ত্যা নাকি হ’ত্যা—তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাজনৈতিক সহকর্মী, বন্ধু ও স্বজনরা রায়হানের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।