

মেহেদী হাসান রিপন,স্টাফ রিপোর্টার: ৫ আগস্ট ২০২৫-এ ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ।এটি ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকীতে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।এই ঘোষণাপত্রটি মূলত ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে একটি রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এতে মোট ২৮টি দফা রয়েছে, যেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট, সেই সাথে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং নাগরিক অধিকার সংরক্ষণে সরকারের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, যেমন বিএনপি, জামায়াত, এবং অন্যান্য দলের প্রতিনিধিদের মতামত নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার এই ঘোষণাপত্রটি চূড়ান্ত করেছে।এটি মূলত গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত পরিবর্তনগুলোকে সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করার একটি পদক্ষেপ।ঘোষণাপত্র পাঠের পর ড. ইউনূস রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণও দেন।
৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন:ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যিনি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন।এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন,মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির মহাসচিব।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান।ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, যার নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল।মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, যার নেতৃত্বে ইসলামী আন্দোলনের তিন সদস্যের দল অনুষ্ঠানে যোগ দেয়।নুরুল হক নুর, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি।মাহমুদুর রহমান মান্না, নাগরিক ঐক্যের নেতা।মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াতের নেতা।নাহিদ ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক।সংহতি আন্দোলনের নেতা জোনায়েদ সাকি।এছাড়াও, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি মূলত ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ ছিল।