1. alamgirhossen6085@sokalerkhobor24.com : alamgirhossen6085 :
  2. dinislam1144@sokalerkhobor24.com : Din Islam : Din Islam
  3. litonakter@sokalerkhobor24.com : litonakter :
  4. nalam.cht@sokalerkhobor24.com : nalam.cht :
  5. reporter1@sokalerkhobor.com : reporter1 :
  6. info@sokalerkhobor24.com : sokalerkhobor24 :
  7. admin@sokalerkhobor24.com : unikbd :
ঘুষ, দুর্নীতি, তদবির বাণিজ্য: কোটি কোটি টাকার মালিকানা বনে গেছেন মটরযান পরিদর্শক পলাশ | সকালের খবর ২৪
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জনতার প্রত্যাশা মন্ত্রী সভায় ঠাই পাক ৩ হেভিওয়েট জননেতা নড়াইলে ধানের শীষ ও কলস প্রতিক সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১৪ পঞ্চগড়ে এবার হারানো দুর্গ ফিরে পেল বিএনপি বিএনপির ভূমিধস বিজয়ে জি কে গউছের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ভোটে জিতেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের অফিস খুলে দিলেন বিএনপি নেতা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অভূতপূর্ব বিজয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অভিনন্দন পটুয়াখালীতে বিএনপি’র মিলাদ – দোয়া অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীতে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সহ ৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত নড়াইলে বিল থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার কলাপাড়ায় ভোটে জিতে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মিলাদ

ঘুষ, দুর্নীতি, তদবির বাণিজ্য: কোটি কোটি টাকার মালিকানা বনে গেছেন মটরযান পরিদর্শক পলাশ

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫
  • ২৫৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

বিগত ১০ বছরে বিআরটিএ-তে দালালী করে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার অবৈধ অর্থ উপার্জনের অভিযোগ উঠেছে বিআরটিএ এর প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত মটরযান পরিদর্শক আবু পলাশ ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর।

জানা গেছে, গত ১০ বছরে পলাশ চাকুরী জীবনে আয় করেছেন ২০ লাখ টাকা কিন্ত আয়কর নথিতে ৬০ লক্ষ টাকার উপরে হিসাব দাখিল করেছন। এবং তার ৩৯ ভরী স্বণ প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। তার কুষ্টিয়াতে ৬ষ্ঠ তলা বাড়ি রয়েছে তার তথ্য তিনি প্রদর্শন করেন নি। এছাড়াও তার স্ত্রীর নামে বিভিন্ন জায়গায় প্রায় কোটি কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে তা তিনি আয়কর নথিতে তথ্য প্রদান করেন নি। তার স্ত্রীর নামে দুটি মাক্রবাস দুইটি প্রাইভেটকার ও তিনটি ট্রাক এবং বসুন্ধারা আবাসিক এলকায় তিনটি প্লট ক্রয় করেছেন। তার তথ্য তিনি সম্পূর্ণ গোপন করেছেন।

সোমবার (২৩জুন) দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) এমনই একটি দায়ের হওয়া অভিযোগে অবৈধ অর্থ উপার্জনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

অভিযোগ পত্রে বলা হয়,আবু পলাশ মটরযান পরিদর্শক বিআরটিএ সদর কার্যালয়, বনানী চেয়ারম্যান বাড়ী ঢাকায় কর্মরত আছেন। তার পিতার নাম জালাল সদরদার, মাতার নাম সোহাগী বেগম, তার স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: সেনগ্রাম, ডাকঘর: সেনগ্রাম, থানা: খোকসা, জেলা: কুষ্টিয়া, তার আয়কর নথিকে তিনি এই ঠিকানা প্রদর্শন করেছেন। কিন্তু তার প্রকৃত স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: পূর্ব বালিয়া, ডাকঘর: যশাই, থানা: পাংশা, জেলা: রাজবাড়ী। তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-১৯৯৩৮২১৭৩২৫০০০০৭১, জন্ম তারিখ: ২৬/১২/১৯৯৩ইং তার টিন নং-১১৪২৪৪৫৬৫০৪৮, কর সার্কেল-৩৬, কর অঞ্চল-০২, ঢাকা।

তিনি এখানে ঠিকানায় জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমানে উত্তরায় নিজের ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। তিনি ২০১৪ সালের জুন মাসে সহকারী মটরযান পরিদর্শক/মেকানিক্যাল এসিসন্টে পদে বিআরটিএতে যোগদান করেন। ২০২২ সালে মটরযান পরিদর্শক হিসাবে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি ২০১৪ সালে বিআরটিএতে যোগদান করার পর ঘুষ, দুর্নীতি, তদবির বাণিজ্য করে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার মালিকানা বনে গেছেন।

তিনি বিআরটিএর প্রধান কার্যালয় সহ সারা বাংলাদেশে বিআরটিএ অফিসগুলোতে দালাল নিয়োগ করে তদবিরের মাধ্যমে বিআরটিএর সকল প্রকার কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি প্রতিদিন তদবির বাণিজ্য করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তার সর্বশেষ কর্মস্থল জামালপুর তার ঘুষ ও দুর্নীতির দায়ে তাকে সেখান থেকে প্রত্যহার করে নিয়ে বিআরটিএ প্রধান কার্যালয় সংযুক্ত করেছেন। তার অবৈধ সম্পদ সাংবাদিকগণ অনুসন্ধান করতে গেলে তিনি সংবাদিকদের বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে তার অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান করা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি এখনো বিআরটিএ প্রধান কার্যালয় কর্মরত আছেন। তার ও তার পরিবারের নামে বেনামে কোটি কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রয়েছে। এবং দেশের আনাচে কানাছে তার অবৈধ সম্পদ রয়েছে। তার বিষয়ে শত শত অভিযোগ রয়েছে।

** তার অবৈধ সম্পদের বিবরণী ও তথ্য আবু পলাশের ২০২৩-২০২৪ সালের আয়কর সম্পদের বিবরণী তুলে ধরা হলো-

আবু পলাশ ২০২৩ সালে আর্থিক তথ্যের বিবরণীর মতে সম্পদের পরিমাণ ৬০,৪০,২৪৬/-টাকা। কিন্তু তিনি এতো অল্প দিনেই অবৈধভাবে এতো সম্পদের মালিক হলেন তা ভাবার বিষয়। তার সম্পদের স্বাণের পরিমাণ ৩৯ ভরী বর্তমান মূল্য ৩৯ লক্ষ টাকার উপরে কিন্তু তা তিনি মূল্য প্রদর্শন করেন নি। আবু পলাশ মূলত একজন তদবিরবাজ কারন তিনি বিআরটিএ প্রধান কার্যালয় থেকে সারা বাংলাদেশে বিআরটিএগুলোতে তদবিরের মাধ্যমে দালাল নিয়োগ করে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এখনো ও নিতেছেন। আবু পলাশের তথ্য বিবরণী ছাড়া গোপন ভাবে আরো কয়েক কোটি টাকা রয়েছে বলে তার এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়। উল্লেখ্য যে আবু পলাশ তার এস্টেটমেন্ট অব ইনকাম বিবরণীতে বাৎসরিক বেতন প্রদর্শন করেছেন ১,৯০,৮৬৮/- টাকা কিন্তু তিনি ১১ বছরে চাকুরী জীবনে কিভাবে এতো অল্প সময়ে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেলেন। তার বর্তমান যে বাসার ঠিকানা দেওয়া আছে ৪০/৫, ওয়াকআপ কলোনী পাইকপারা মিরপুর-০১, ঢাকা ঐ বাসাতে বসবাস করেন না কয়েক বছর আগে থেকেই। ঐ বাসাতে বর্তমানে বিআরটিএ রেজাউল ইসলাম নামের একজন কর্মচারী বসবাস করেন। তিনি সেখানেও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অতিদ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করলে দেশ জাতী উপকৃত হবে। উল্লেখ্য যে আবু পলাশ তার আয়কর নথিতে তার সম্পূণ সম্পদের বিবরণী প্রদশন করেন নি।

অধিকাংশ তথ্য গোপন করেছেন। তার তথ্য মতে গত ১০ বছরে তিনি চাকুরী জীবনে আয় করেছেন ২০ লক্ষ টাকা কিন্ত আয়কর নথিতে ৬০ লক্ষ টাকার উপরে হিসাব দাখিল করেছন। এবং তার ৩৯ ভরী স্বণ প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। তার কুষ্টিয়াতে ৬ষ্ঠ তলা বাড়ি রয়েছে তার তথ্য তিনি প্রদর্শন করেন নি। এছাড়াও তার স্ত্রীর নামে বিভিন্ন জায়গায় প্রায় কোটি কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে তা তিনি আয়কর নথিতে তথ্য প্রদান করেন নি। তার স্ত্রীর নামে দুটি মাক্রবাস দুইটি প্রাইভেটকার ও তিনটি ট্রাক এবং বসুন্ধারা আবাসিক এলকায় তিনটি প্লট ক্রয় করেছেন। তার তথ্য তিনি সম্পূর্ণ গোপন করেছেন।

আবু পলাশের বিষয়ে অনুসন্ধান করলে আরো অনেক সম্পদের তথ্য পাওয়া যাবে বলেও অভিযোগে জানানো হয়।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© 2025 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। সকালের খবর ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি ।
Developed By UNIK BD