

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
কর অঞ্চল-৯,কর সার্কেল-১৯৩,এর সুপারভাইজার,মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী মাহবুবা ছিদ্দিকা,ঘুষ,দুর্নীতি,করদাতা হয়রানি করে অবৈধ ভাবে ঘুষ গ্রহন করে ঢাকাসহ সারাদেশে বাড়ী,গাড়ী,সহ অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।
এসব বিষয়ের তদন্ত চেয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড শাখা) অর্থ মন্ত্রণালয় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো. রাসেল সরকার নামের এক ব্যক্তি।
অভিযোগ জানা যায়,মো.মিজানুর রহমান,সুপারভাইজার, কর সার্কেল-১৯৩, কর অঞ্চল-৯,উত্তরা,ঢাকায় কর্মরত আছেন। তার পিতার নাম-আব্দুল হাকিম, মাতার নাম-সাফিয়া বেগম, স্ত্রীর নাম মাহবুবা ছিদ্দিকা। তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৬৮৯৭৪০৬৮২০,জন্ম তারিখ-১৫/০১/১৯৭৩ইং, টিআইএন নং-১১৮১৩৮৪০৮৭৯০,কর সার্কেল-১৮২, কর অঞ্চল-৯, ঢাকা। তার স্ত্রী নাম মাহবুবা ছিদ্দিকা,পিতা-হাসানুজ্জামান সরকার,মাতার নাম-সুফিয়া খাতুন,স্বামীর নাম-মো. মিজানুর রহমান আজাদ,জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৭৭৮৫১৭২৪০৯,জন্ম তারিখ-০৫/১২/১৯৮৪ইং,জন্য স্থান কিশোরগঞ্জ,তার টিআইএন নং-৭৩৫৭৪২৩০২৮৮৪, কর সার্কেল-৪৭১,কর অঞ্চল-২২, ঢাকা। উভয়ের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা: বাসা-১০,নগর বাড়ী রোড,দক্ষিণখান,উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
তিনি জানান,মিজানুর রহমান কর দাতাদের হয়রানি করে নিয়মিত ঘুষ গ্রহন করেন। তার রয়েছে একাধিক ঘুষ গ্রহনকারী সিন্ডিকেট। তাদের মাধ্যমে কর দাতাদের হয়রানি করে ভুয়া নোটিশ পাঠিয়ে কর দাতাদের ডেকে নিয়ে এসে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের নিকট বড় অংকের ঘুষের টাকা গ্রহন করে নোটিশ ছিডিয়ে ফেলে সমস্য সমাধান করে দেন।
মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পদের তালিকা নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ (১) বাসা-১০, নগর বাড়ী রোড, দক্ষিণখান,উত্তরা,ঢাকা-১২৩০। উক্ত বাড়ীটি ৬ষ্ঠ তলা ভবন নির্মানাধীন কয়েক কোটি টাকা ব্যয় করে নিমার্ণ করিতেছেন। এছাড়াও গাজীপুরে মাকেলের বাড়ী এলাকায় তার ৬ষ্ঠ তলা বাড়ী রয়েছে। গাজীপুর সদরে তার একটি ৫ম তলা বাড়ী রয়েছে। ঢাকা উত্তরায় ১৮ নং সেক্টরে তার ৫ কাঠার একটি প্লট রয়েছে। তার স্ত্রীর নামে কিশোরগঞ্জ সদরে একটি ৫ম তলা বাড়ী নিমার্ণ করেছেন কয়েক কোটি টাকা ব্যয় করে। এছাড়াও তার ঢাকা শহরে একাধিক বাড়ী,ফ্ল্যাট,প্লট,ও গাড়ী এবং কয়েকটি ব্যাংকে প্রায় শত কোটি টাকা জমা রয়েছে।
মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পদের বিষয়ে তদন্ত করিলে আরো অবৈধ ও অজানা সম্পদ পাওয়া যাবে। তার স্ত্রী গৃহিনী হওয়া সত্ত্বেও তার স্ত্রীর নামে তিনি আয়কর নথি খুলে অবৈধ সম্পদকে বৈধ করার চেষ্টা করেছন। বিষয়টি খুবই দুঃখঃ জনক। তার বিষয়ে তদন্ত করণ ও বিভাগীয় মামলা দায়ের করণ দরকার।
এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুর্নীতি,করদাতা হয়রানির অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।