

আমতলী(বরগুনা)থেকে আবু সাইদ খোকন : বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিমচিলা ডাকুয়া বাড়ী সলগ্ন আয়রন ব্রীজটি পশ্চিম চিলা ছেনাউঠা খাসতবক সহ ৩ গ্রামের কয়েকশত মানুষের জন্য মরনফাঁদে পরিনত হয়েছে। স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগ বিগত ৯ বছরেও ব্রিজটি সংস্কারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি।স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে ব্রীজের ভাঙ্গা অংশে কাঠ বাঁশ মাটি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি
নিয়ে পারাপার হচ্ছে।দ্রুত ব্রীজটি সংস্কারঅথবা ভাঙ্গাচুরা ব্রিজের মালামাল সরিয়ে নেয়ার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসীর। আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানাগেছে,২০০৩ সালে হালকা জান প্রকল্পের আওতায়
বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিমচিলা গ্রামের ডাকুয়া বাড়ীর সামনের খালে আয়রন ব্রীজ নির্মাণ করে। ব্রীজটির মধ্যেখান ২০১৬ সালে ভেঙ্গে যায়। গত ৯ বছর ধরে ব্রীজটি ভাঙ্গা অবস্থায় পড়ে আছে। ব্রীজটি ভেঙ্গে পরায় পশ্চিমচিলা ছোনাউঠা, খাসতবক এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারন মানুষ চরম দূর্ভোগে পরেছে। নিরুপায় হয়ে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে ব্রীজের উপরে কাঠ বাশ দিয়ে চলাচল করছে। স্থানীয় প্রকৌশলী বিভাগকে জানানো হলেও তারা গত ০৯ বছরেও ব্রীজ সংস্কারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। স্থানীয়রা দ্রুত এ ব্রীজ সংস্কার অথবা অকেজো ব্রিজের মালামাল সরিয়ে নেয়ার দাবী জানিয়েছেন। যাতে ভুক্তভোগিরা উক্ত স্থানে খালে
বাধ দিয়ে চলাচল ও পন্য আনা নেওয়া করতে পারেন।
সরেজমিনে দেখাগেছে,ব্রীজটির মধ্যখানের অংশ ভাঙ্গা। স্থানীয়রা ভাঙ্গা অংশে কাঠ বাশদিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবুল কাশেম বলেন, ব্রিজটি ভেঙ্গে পরে যাওয়ার পর একাধিকবার
উপজেলা প্রকৌশলীর অফিসকে জানিয়েছি তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি।বর্তমানে এই ব্রীজ দিয়ে মানুষের চলাচল ও কৃষকের উৎপাদিত পন্য আনা নেওয়া মুশকিল হয়ে পরেছে।যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভানা রয়েছে।ব্রীজটির ভেঙ্গে যাওয়া মালামাল সরিয়ে নিলে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে খালে বাধ দিয়ে তাদের উৎপাদিত মালামালসহ শিক্ষার্থীর ও সাধারন মানুষ চলাচল করতে পারবে।ভুক্তভোগিরা দ্রুত ব্রীজটি সংস্কার অথবা অকেজো ব্রিজের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী মুঠোফোনে বলেন সরেজমিন দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন ওই ব্রীজটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।