1. alamgirhossen6085@sokalerkhobor24.com : alamgirhossen6085 :
  2. dinislam1144@sokalerkhobor24.com : Din Islam : Din Islam
  3. litonakter@sokalerkhobor24.com : litonakter :
  4. nalam.cht@sokalerkhobor24.com : nalam.cht :
  5. reporter1@sokalerkhobor.com : reporter1 :
  6. info@sokalerkhobor24.com : sokalerkhobor24 :
  7. admin@sokalerkhobor24.com : unikbd :
আজ ৪ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক ধানুয়া কামালপুর হানাদার মুক্ত দিবস | সকালের খবর ২৪
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর, থানায় অভিযোগের পর রাতের আঁধারে ফের হামলা ও টাকা লুট সৎ মায়ের সন্তানের মতো উত্তরবঙ্গের সঙ্গে আচরণ করা হয়েছে পঞ্চগড়ে ডা.শফিকুর রহমান ডেভিল হান্ট ফেইজ-২: মোহাম্মদপুর-আদাবরে গ্রেফতার ২২ সাত দিনে সেনা অভিযানে গ্রেফতার ২৭৮ ফতুল্লায় ২০ কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ, পাচারকারী আটক বঙ্গোপসাগরে উদ্ধার বাংলাদেশি জেলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর শিশু নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল: শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক গ্রেফতার রাজউকের ৩৭ জনসহ রূপায়ণ গ্রুপের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আমতলীতে নিহত দুই জেলে পরিবার পেলেন আর্থিক সহায়তা মহিপুর থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হবে-এবিএম মোশাররফ হোসেন

আজ ৪ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক ধানুয়া কামালপুর হানাদার মুক্ত দিবস

  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৩ বার পঠিত

বকশীগঞ্জ( জামালপুর)প্রতিনিধি:

জামালপুরের ববকশীগঞ্জ ধানুয়া কামালপুর হানাদারমুক্ত দিবস আজ ৪ ডিসেম্বর । ১৯৭১সালে আজকের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে হানাদার বাহিনীর শক্তিশালী ঘাঁটি কামালপুর দূর্গের পতন হয়।

এ উপলক্ষে আজ (৪ ডিসেম্বর) উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন।
জানা যায়, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা জেলার মহেন্দ্রগঞ্জ ও জামালপুর জেলার পাহাড় ঘেঁষা বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুরে হানাদার বাহিনী যুদ্ধের শুরু থেকেই শক্তিশালী ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল। এখান থেকেই হানাদার বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা চালায়। উত্তর রণাঙ্গনের ১১নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল যেকোনো মূল্যে এই ঘাঁটি দখল করা। এই যুদ্ধে কামালপুর রণাঙ্গনে হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের ৮দফা সম্মুখযুদ্ধ হয়।

৩১জুলাইয়ের আগে ধানুয়া কামালপুর রণাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেন জেড ফোর্স। তৎকালীন ৩১জুলাই সম্মুখযুদ্ধে পাক বাহিনীর গুলিতে ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ বীর উত্তম শাহাদাৎ বরণ করেন। ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ শহীদ হওয়ার পর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর কমান্ডার মেজর আবু তাহেরের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৪নভেম্বর হানাদার বাহিনীর ধানুয়া কামালপুর ঘাঁটি অবরোধ করেন। অবরোধের প্রথম দিনই কামালপুর মির্ধাপাড়া মোড়ে সম্মুখযুদ্ধে মর্টার শেলের আঘাতে সেক্টর কমান্ডার মেজর আবু তাহের একটি পা হারান। পরে ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব নেন উইং কমান্ডার হামিদুল্লাহ খান বীরপ্রতীক।

১০দিন যুদ্ধের পর ৪ডিসেম্বর সকাল ৮টায় সেক্টর কমান্ডারের নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধা বশির আহমেদ (বীরপ্রতীক) পাক বাহিনীর ক্যাম্পে সারেন্ডারপত্র নিয়ে যাওয়ার পর সন্ধ্যা ৭টায় ৩১ ব্যালুচ রেজিমেন্টের গ্যারিসন কমান্ডার আহসান মালিকসহ ১৬২জন হানাদার বাহিনীর সদস্য মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© 2025 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। সকালের খবর ২৪ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি ।
Developed By UNIK BD